স্বদেশ আইটি
অনলাইন বিজনেস আইডিয়া

অনলাইনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ২০টি সেরা অনলাইন বিজনেস আইডিয়া

অনলাইন বিজনেসে লাভের হার ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত এক বছরে বিশ্বব্যাপী অনলাইনে বিক্রি হয়েছে প্রায় ২.৩০৪ ট্রিলিয়ন ডলার। অনলাইন বিজনেস সারা বিশ্বজুড়ে থাকা খুচরা বাজারের একটি বড় অংশ দখল করে নিতে চলেছে। ধারণা করা হচ্ছে ২০১৮ সালে বিশ্বব্যাপী মোট জনসংখ্যার ৪৭.৩% জন মানুষ অনলাইনে পণ্য ক্রয় করবে।

হোস্টিং ফ্যাক্টস এর মতে, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ৯৬৬ মিলিয়ন ওয়েবসাইট রয়েছে। এর মধ্যে ১০০ মিলিয়নেরও বেশি ওয়েবসাইট অনলাইন বিজনেস পরিচালনা করছে। আর বিশ্বব্যাপী অনলাইন বিজনেস গুলোর সফলতা দেখে আমাদের দেশের মানুষদের মাঝেও অনলাইন বিজনেস এর প্রতি আগ্রহ বাড়ছে।

আমাদের জন্য খুবই আনন্দের সংবাদ যে, আমাদের অনেক অনলাইন বিজনেস উদ্যোক্তারা দারুণ সফলতা পেয়েছে। সেই সাথে দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে এই অনলাইন বিজনেস! মানুষ এখন বিভিন্ন দোকানে দোকানে গিয়ে জিনিসপত্র কেনার চেয়ে ঘরে বসে পেতেই বেশি পছন্দ করছে। তাছাড়া জীবনযাত্রায় যে পরিবর্তন আসছে, তাতে এখন আর গতানুগতিক ব্যবসায় নতুন করে সফলতা পাওয়া অনেকের জন্যই কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

যাইহোক, দ্রুত পরিবর্তিত আমাদের জীবন যাপনের সঙ্গে সম্পৃক্ত এই অনলাইন বিজনেস এর প্রতি যদি আপনারও আগ্রহ থাকে, তবে আসুন জেনে নেই অনলাইন বিজনেস কি ও ২০টি সেরা অনলাইন বিজনেস আইডিয়া সম্পর্কে।

অনলাইন বিজনেস কি?

অনলাইন বিজনেস হলো যখন কোন ব্যবসায়িক কার্যকলাপ ইন্টারনেটে ঘটে। অনলাইন বিজনেস এর ক্ষেত্রে আপনাকে খুব বেশী মূলধন বিনিয়োগ করতে হবেনা। এছাড়া এই ব্যবসা আপনি পার্ট টাইম ও বিশ্বের যেকোন প্রান্ত থেকে পরিচালনা করতে পারবেন।

অনলাইন বিজনেস এর প্রকারভেদ

অনলাইন বিজনেসকে সাধারণত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ১) পণ্য ভিত্তিক অনলাইন বিজনেস ২) সেবা ভিত্তিক অনলাইন বিজনেস

অনলাইন বিজনেস এর ব্যাপারে যদি আপনি এই ছোট ভূমিকা পড়ে কিংবা আগে থেকেই মনস্থির করে রাখেন কিন্তু কিভাবে বা কোন ধরনের ব্যবসা দিয়ে আপনার অনলাইন বিজনেস এর যাত্রা শুরু করবেন তা মনস্থির করতে না পারেন। তবে আপনার জন্য এই ২০টি সেরা অনলাইন বিজনেস আইডিয়া নিয়ে আমি হাজির হয়েছি।

১) ই-কর্মাস

অনলাইন বিজনেস আইডিয়ার কথা বললেই, প্রথমে চলে আসবে ই-কমার্সের কথা। অনলাইন বিজনেস এর ক্ষেত্রে প্রথম কাতারে আছে ই-কমার্স। আপনি চাইলে এই ই-কমার্স দিয়ে আপনার অনলাইন বিজনেস শুরু করতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে আপনাকে কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে:

  • লাভজনক বাজার খুঁজে বিনিয়োগ করুন।
  • শুরুর দিকে ব্যয়বহুল পণ্য নিয়ে শুরু করবেন না।
  • পণ্যের বাজার চাহিদা যাচাই করুন।
  • অনান্য ই-কমার্স সাইট গুলো থেকে আইডিয়া নিন।

২) হস্তশিল্প

সেই প্রাচীনকাল থেকে শুরু করে আজকের এই আধুনিক সমাজে হস্তশিল্পের চাহিদা একটুও কমে পায়নি। সৌখিনতা বা নিত্য প্রয়োজনীয় অনেক অভাব পূরণের ক্ষেত্রে মানুষ এখনো হস্তশিল্পের উপর নির্ভরশীল। আপনি চাইলে অনলাইনে এই হস্তশিল্পের বিজনেস শুরু করতে পারেন। যারা হস্তশিল্পের কারিগর তাদের কাছ থেকে আপনি সরাসরি পণ্য ক্রয় করে বিক্রয় করতে পারলে লাভের পরিমাণ স্বভাবতই বেশী হবে।

৩) বই বিক্রিয়

যদিও বাজারে বই বিক্রয়ের অনেক ওয়েবসাইট আছে কিন্তু তাতে হতাশ হওয়ার কিছুই নেই। কারণ সফল ব্যক্তিরা সাধারণ মানুষের মত চিন্তা করে, তবে একটু ভিন্ন ভাবে। আপনি চাইলে পুরাতন বই বিক্রি করতে পারেন। পুরাতন বই এর চাহিদা কতটা বেশি, ঢাকার নীলক্ষেতে ঘুরে আসলেই আপনি বুঝতে পারবেন।

পুরাতন বই ক্রয় ও বিক্রয় করেও আপনার অনলাইন বিজনেস শুরু করতে পারেন। প্রথম দিকে আপনি ফেসবুকের পেজ কিংবা গ্রুপ দিয়ে শুরু করতে পারেন। পরবর্তীতে মূলধনের পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে, একটি ওয়েবসাইট খুলে আপনার অনলাইন বিজনেসকে আরো সম্প্রসারণ করতে পারেন।

৪) মৌসুমি পণ্য বিক্রয়

আপনি অনলাইন বিজনেসকে লোকাল বিজনেসের সাথে তুলনা করতে পারেন। বর্তমানের লোকাল বিজনেস থেকে অনলাইন বিজনেসে মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। আপনি চাইলে অনলাইনে মৌসুমি পণ্য বিক্রয় করতে পারেন।

বিষয়টি আরেকটু পরিষ্কার করলে বুঝতে পারবেন। যেমন ধরুন গ্রীষ্মকালে আপনি আমের ব্যবসা করতে পারেন। রাজশাহী থেকে সরাসরি ফরমালিন মুক্ত আম এনে আপনি তা অনলাইনে বিক্রি করতে পারেন। এছাড়া বিভিন্ন মৌসুমে যেসব ফল বা পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি পায়, আপনি সেসব পণ্য অনলাইনে বিক্রি করতে পারেন।

৫) পাইকারি পণ্য বিক্রয়

অনলাইনে পাইকারি মূল্যে পণ্য বিক্রি করতে পারলে গ্রাহক চাহিদা অনেক বেশি বৃদ্ধি পাবে। যেমন ধরুন, গ্রাম থেকে আপনি চাল ক্রয় করে ঢাকায় এনে তা অনলাইনে বিক্রি করতে পারেন। আর চাল সাধারণত মানুষ এক কেজি বা দুই কেজি কিনে না বরং বস্তা বা মন অনুযায়ী কিনে। তাই এই ধরনের বিজনেস আপনার জন্য উপযোগী হতে পারে।

৬) ওষুধ বা চিকিৎসা সামগ্রী

অনেক সময় দেখা যায় মানুষ ফার্মেসীতে গিয়ে ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ওষুধ পায়না, সেক্ষেত্রে অনেক সময় ভোগান্তিতে পড়তে হয়। আবার অনেক আবাসিক এলাকায় ফার্মেসি থাকেনা, এজন্য জরুরি প্রয়োজনে তখন ওষুধ পাওয়া যায়না।

আর এইসব ক্ষেত্রে অনলাইন ওয়েবসাইট, ফার্মেসির থেকে বেশী ভূমিকা রাখে। কারণ মানুষ জরুরী প্রয়োজনে অনলাইনে ওষুধের অর্ডার করে ঘরে বসে ওষুধ পেতে পারে। আর তাই এই অনলাইন বিজনেস আপনি এখনই শুরু করে দিতে পারেন।

৭) পুরাতন জিনিস বেচাকেনা

পুরাতন জিনিসের চাহিদা সম্পর্কে ধারণা পাওয়ার জন্য আপনি বিক্রয় ডট কমে ঘুরে আসতে পারেন। ওয়েবসাইট তৈরি করে কিংবা প্রাথমিক ভাবে ফেসবুকে পুরাতন জিনিস ক্রয় বিক্রয় করতে পারেন আপনি।

৮) ঘরে তৈরি করা খাবার

যান্ত্রিক জীবনে মানুষ যন্ত্রের উপর নির্ভরশীল হলেও মানুষের ভালবাসা এখনো সেই হাতে তৈরি খাবারের প্রতি রয়ে গেছে। আপনি ঘরে পিঠা, আচার কিংবা অন্যান্য সুস্বাদু খাবার তৈরি করে ফেসবুকে, ওয়েবসাইটে কিংবা বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে প্রচার প্রচারণা করতে পারেন।

শহুরে জীবনের কর্ম ব্যস্ততায় হাতে তৈরি খাবারের চাহিদা স্বাভাবিক ভাবেই অনেক বেশি থাকবে। তাই এই ধরনের অনলাইন বিজনেস আপনার সাফল্যের পথের সিঁড়ি হতে পারে।

৯) লন্ড্রি

শহরে জীবনে ব্যস্ততা ছাড়া অবসর সময় কল্পনা করা যায়না। আর কর্পোরেট লেবেলে তো ছুটি কদাচিৎ পাওয়া যায়। মানুষ কাপড় ধোয়া বা ইস্ত্রি করারও সময় পায়না। আবার অনেক সময় দেখা যায়, অলসতার কারণে দোকানে দিয়ে আসে না।

তাই আপনি চাইলে এই সুবর্ণ সুযোগটি ব্যবহার করতে পারেন। প্রাথমিক ভাবে এলাকা বা মহল্লা ভিত্তিক এই সেবা চালু করতে পারেন এবং আপনি অনলাইনের অর্ডার গুলো মহল্লায় থাকা লন্ড্রি দোকানের সাথে চুক্তি করে কাজ করতে পারেন।

১০) অনলাইন ক্লাস

অনলাইনে ক্লাস কথাটা শুনে আপনার হাসি আসতে পারে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে আপনি চাইলে, এটা আপনার অনলাইন বিজনেস এর সবচেয়ে বড় মাধ্যম হতে পারে।

অনলাইন ক্লাস শুরু করার পূর্বে মানুষের নিকটে আপনার পরিচিত থাকতে হবে। এক্ষেত্রে আপনি ইউটিউবকে প্রাধান্য দিতে পারেন। আপনি যে বিষয়ে অভিজ্ঞ সে সম্পর্কে ইউটিউবে ভিডিও দিতে পারেন। পরবর্তীতে যখন আপনার শুভাকাঙ্ক্ষীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে, তখন আপনি তাদের নিয়ে পেইড সিক্রেট ক্লাসের ব্যবস্থা করতে পারেন। সেটা হতে পারে স্কাইপি কিংবা অন্যকোন মাধ্যম।

১১) ব্লগিং

ব্লগ খুলেও আপনি খুব সহজেই অর্থ আয় করতে পারেন। বর্তমান সময়ে অনেকেই ব্লগিংকে তাদের প্রফেশন হিসাবে নিচ্ছে। আপনি চাইলে ইংরেজি অথবা বাংলা ভাষায় ব্লগিং করতে পারেন। তবে ইংরেজি ভাষার ব্লগের চাহিদা ও ভিজিটর অনেক বেশি থাকে।

ব্লগিং এর মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন ভাবে ইনকাম করতে পারেন। যেমন- গুগল এডসেন্স, দেশীয় বিজ্ঞাপন সংস্থার বিজ্ঞাপন বা অন্যকোন কোম্পানির বিজ্ঞাপন। আবার অনেক সময় পেইড রিভিউ বা স্পনসরড পোস্ট লিখেও আয় করতে পারবেন।

১২) ইউটিউব

ইউটিউব সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছু নেই। ইতোমধ্যে বাংলাদেশে অনেক নামীদামী ইউটিউবার রয়েছে, যাদের সম্পর্কে আপনারা পত্র পত্রিকায় পড়েছেন। চাইলে আপনিও ইউটিউবে অনলাইন বিজনেস শুরু করতে পারেন।

আপনি কি ধরনের ভিডিও তৈরি করবেন, সেটা আপনি নিজেকে প্রশ্ন করুন। এক্ষেত্রে আপনি যে বিষয়ে অভিজ্ঞ সেই বিষয়ের উপর ভিডিও তৈরি করতে পারেন কিংবা অন্য ইউটিউবারের ভিডিও থেকে ধারণা নিতে পারেন।

১৩) এফিলিয়েট মার্কেটিং

এফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে আপনি অনলাইনে বিভিন্ন পণ্য বা সার্ভিসের লিংক শেয়ার করে টাকা ইনকাম করতে পারেন। এফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে আপনি স্বদেশ আইটির এফিলিয়েট মার্কেটিং বিষয়ক পোস্ট গুলো পড়তে পারেন।

১৫) ওয়েবসাইট ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট

আপনি যদি ওয়েবসাইট ডিজাইনার ও ডেভেলপার হয়ে থাকেন। তবে আপনি ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্টের উপর অনলাইন বিজনেস শুরু করতে পারেন। কারণ তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে মানুষ প্রতিনিয়ত তার নিজের অথবা প্রতিষ্ঠানের জন্য ওয়েবসাইট তৈরি করছে।

আবার কেউ কেউ তাদের পুরাতন ওয়েবসাইট পুনরায় রিডিজাইন করে, তার জন্য প্রয়োজন হয় ওয়েবসাইট ডিজাইনার এবং ডেভেলপারের। আপনি চাইলে এই সেবা অনলাইনেই দিতে পারেন। এছাড়া আপনি ওয়েবসাইট ডিজাইন কিংবা ডেভেলপমেন্ট করে বিক্রিও করতে পারেন বেশ কিছু ওয়েবসাইটে।

১৬) ভিডিও এডিটর

ভিডিও এডিটিংয়ের মাধ্যমে অনলাইন বিজনেস করতে পারেন। বর্তমানে বিভিন্ন কোম্পানি তাদের বিজ্ঞাপন থেকে শুরু করে ইউটিউবের ভিডিও তৈরিতে ভিডিও এডিটরের প্রয়োজন পড়ে। এইসব প্রয়োজন পূরণ করতে পারে আপনার ভিডিও এডিটিংয়ের অনলাইন বিজনেস।

১৭) সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট

সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট অনেক চাহিদা সম্পন্ন একটি অনলাইন বিজনেস। আপনি বিভিন্ন সফটওয়্যার তৈরি করে অর্থ আয় করতে পারেন। অনেক সময় একটি সফটওয়্যার বিক্রি করে আপনি কোটি টাকা আয় করতে পারবেন। পাশাপাশি আপনি অ্যান্ড্রয়েডের প্লে স্টোর বা আইফোনের অ্যাপ স্টোরের জন্য অ্যাপ তৈরি করেও অর্থ আয় করতে পারেন।

১৮) ডোমেইন ও হোস্টিং বিজনেস

ডোমেইন হোস্টিংয়ের বিজনেসও বর্তমানে অনেক চাহিদা সম্পন্ন একটি অনলাইন বিজনেস! কারণ যেহেতু প্রতিনিয়ত ওয়েবসাইট তৈরির চাহিদা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে, আর ওয়েবসাইট তৈরি করতে গেলে অবশ্যই তার জন্য ডোমেইন ও হোস্টিং এর প্রয়োজন। তাই বলা যায় ডোমেইন ও হোস্টিং এর বিজনেসে আপনার লস হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। ডোমেইন ও হোস্টিং বিজনেসের ক্ষেত্রে আপনি থার্ড পার্টির ভূমিকা পালন করতে পারেন।

১৯) স্যোশাল মিডিয়া মার্কেটিং

বর্তমানে প্রায় সকল প্রতিষ্ঠান সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিংয়ের জন্য আলাদা বিভাগ রাখে। আবার অনেকেই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এই কাজ করিয়ে নেয়। এখন আপনি যদি সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিংয়ের উপর অনলাইন বিজনেস করেন। তাহলে বলা যায় এটাও অনেক চাহিদা সম্পন্ন একটি অনলাইন বিজনেস হবে।

২০) এসইও

সবার শেষে এসইও দেখে অনেকেই হয়তো এটাকে কম গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন। কিন্তু না বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। ড. ক্রিস ডায়াগাদাগ বলেন, গুগলের সার্চ রেজাল্টে প্রথম হওয়া সকল ওয়েবসাইট মালিকদের স্বপ্ন। আর আপনি চাইলে এইসব ওয়েবসাইট মালিকদের স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন এসইও এর মাধ্যমে অনলাইন বিজনেস করে।

শেষ কথা :

উপরের উল্লেখিত আলোচনায় আমি ২০টি সেরা অনলাইন বিজনেস আইডিয়া সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। তবে আপনাকে যে, এই ২০টি অনলাইন বিজনেস এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে হবে তা কিন্তু নয়। আপনার যে বিষয়ে অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান আছে আপনি সে বিষয়ের উপর অনলাইনে বিজনেস শুরু করতে পারেন।

কোন অনলাইন বিজনেসে টাকা বেশি এই ধরনের চিন্তা না করে বরং চিন্তা করুন কোনটা আপনার জন্য উপযোগী ও আপনি কোনটা করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। সেই কাজটি দিয়ে আপনি অনলাইন বিজনেস শুরু করতে পারেন।

ফয়সাল আহমেদ

খুব সাধারণ একজন মানুষ। নিজের সম্পর্কে বলার তেমন কিছুই নেই। লেখাপড়া শেষ করেছি কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে। ছোটবেলা থেকেই প্রযুক্তির প্রতি ভীষণ আগ্রহ ছিল। তাই শেষ পর্যন্ত প্রযুক্তিকেই বেছে নিয়েছি পথ চলার সঙ্গী হিসেবে। কাজ করি ডিজাইন, ডেভেলপিং এবং ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে। ভালবাসি আইটি সংক্রান্ত নতুন কিছু শিখতে। আমার শেখা তখনই স্বার্থক যখন সেটা অন্যদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে পারি। আর এই জন্যই প্রতিষ্ঠা করেছি স্বদেশ আইটি।

6 comments

বিভাগ সমূহ